সংবাদ শিরোনাম:
ভূরুঙ্গামারীতে ১০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক সম্রাজ্ঞী মর্জিনা গ্রেফতার ভূরুঙ্গামারীতে গাঁজা চাষ,পুলিশের অভিযানে অর্ধশতাধিক গাছ উদ্ধার ভূরুঙ্গামারীতে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে জব্দ, আটক ১ ১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে যান চলাচল বন্ধ ভূরুঙ্গমারীতে সুপারি বাগানে গাঁজা চাষ, অভিযান চালিয়ে চারটি গাঁজা গাছ জব্দ ভূরুঙ্গামারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল বিতরণ পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস ২০২৬ পালিত নেদারল্যান্ডসে ‘ক্লাইমেট এন্ড ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে খুবি দেবীগঞ্জে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নির্মাণ কাজের ধীরগতি কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত
ভূরুঙ্গামারীতে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে জব্দ, আটক ১

ভূরুঙ্গামারীতে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে জব্দ, আটক ১

ভূরুঙ্গামারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী উপজেলা ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের অভিযানে আনুমানিক সাড়ে তিন লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হলেও চোরাচালান চক্রের মূল হোতা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসআই আলিউল ইসলামের নেতৃত্বে সাদা পোশাকে ভূরুঙ্গামারী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কবির মাহমুদ গ্রামের বাসিন্দা লুৎফর রহমানের ছেলে সোহাগ মণ্ডল (২১)-এর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, জব্দ করা ডিসপ্লেগুলো ভারত থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের বাঁশজানি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এরপর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে সেগুলো পাচার করা হচ্ছিল।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এ চালানের মূল হোতা বাঁশজানি এলাকার নুর ইসলাম। অভিযানের খবর পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। তাকে গ্রেপ্তারে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পাথরডুবি ইউনিয়নের বাঁশজানি সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরেই চোরাচালানের একটি সক্রিয় রুট হিসেবে পরিচিত। এই রুট ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ চক্র নিয়মিত ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য অবৈধভাবে দেশে এনে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ ভারতীয় পণ্যের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে চোরাচালান পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “আটক ব্যক্তি ও এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর আওতায় মামলা দায়ের করা হবে। মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে পুলিশের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com