সংবাদ শিরোনাম:
ভূরুঙ্গামারীতে ১০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক সম্রাজ্ঞী মর্জিনা গ্রেফতার ভূরুঙ্গামারীতে গাঁজা চাষ,পুলিশের অভিযানে অর্ধশতাধিক গাছ উদ্ধার ভূরুঙ্গামারীতে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে জব্দ, আটক ১ ১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে যান চলাচল বন্ধ ভূরুঙ্গমারীতে সুপারি বাগানে গাঁজা চাষ, অভিযান চালিয়ে চারটি গাঁজা গাছ জব্দ ভূরুঙ্গামারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল বিতরণ পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস ২০২৬ পালিত নেদারল্যান্ডসে ‘ক্লাইমেট এন্ড ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে খুবি দেবীগঞ্জে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নির্মাণ কাজের ধীরগতি কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত
ভূরুঙ্গামারীতে ১০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক সম্রাজ্ঞী মর্জিনা গ্রেফতার

ভূরুঙ্গামারীতে ১০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক সম্রাজ্ঞী মর্জিনা গ্রেফতার

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০৩ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ ১৬ হাজার ২৯০ টাকাসহ মর্জিনা আক্তার ওরফে গেন্দিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া মর্জিনা আক্তার ওরফে গেন্দি উপজেলার বানুরকুটি এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য আতোয়ার হোসেন মোল্লার মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সোনাহাট স্থলবন্দর এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পণ্য পরিবহনের কাজে আসা ট্রাকচালক ও পরিবহন শ্রমিকদের কাছে নিয়মিত ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করতেন তিনি। অতীতে একাধিকবার তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা হলেও কৌশলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে যান। স্থানীয়দের দাবি, তিনি একটি পোল্ট্রি মুরগির দোকানের আড়ালে মাদক কেনাবেচা পরিচালনা করতেন।
শুক্রবার  (১৭ জুলাই) স্থানীয় সচেতন জনগণের সহায়তায় পরিচালিত এক অভিযানে পুলিশ তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে ১০৩ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ ১৬ হাজার ২৯০ টাকা জব্দ করা হয়। জব্দ করা আলামতের আনুমানিক মূল্য ৫৬ হাজার ২৯০ টাকা।
ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের উপস্থিতিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে জব্দতালিকা প্রস্তুত করা হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অভিযুক্তকে থানা হাজতে রাখা হয়।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা দায়ের করে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।”

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com