সংবাদ শিরোনাম:
ভূরুঙ্গামারীতে ১০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক সম্রাজ্ঞী মর্জিনা গ্রেফতার ভূরুঙ্গামারীতে গাঁজা চাষ,পুলিশের অভিযানে অর্ধশতাধিক গাছ উদ্ধার ভূরুঙ্গামারীতে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে জব্দ, আটক ১ ১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে যান চলাচল বন্ধ ভূরুঙ্গমারীতে সুপারি বাগানে গাঁজা চাষ, অভিযান চালিয়ে চারটি গাঁজা গাছ জব্দ ভূরুঙ্গামারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল বিতরণ পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস ২০২৬ পালিত নেদারল্যান্ডসে ‘ক্লাইমেট এন্ড ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে খুবি দেবীগঞ্জে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নির্মাণ কাজের ধীরগতি কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত
ভাঙ্গা সেতু দিয়ে ছয় গ্রামের মানুষের চলাচল১২ বছরেও হয়নি সংস্কার

ভাঙ্গা সেতু দিয়ে ছয় গ্রামের মানুষের চলাচল১২ বছরেও হয়নি সংস্কার

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ
বরগুনার আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের সোনাখালী বাজার সংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু গত ১২ বছর ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। মাঝখানের অংশ ধসে যাওয়ায় স্থানীয়দের উদ্যোগে বসানো নড়বড়ে কাঠের পাটাতনের ওপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন অন্তত ছয়টি গ্রামের প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর মাঝ বরাবর বড় একটি অংশ ভেঙে পড়ে আছে। সেখানে অস্থায়ীভাবে কাঠের পাটাতন বসানো হলেও তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সেতুর উত্তর পাশও কিছুটা দেবে গেছে। প্রতিদিন শত শত মানুষ, শিক্ষার্থী ও হালকা যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি লোহার কাঠামোর ওপর ঢালাই দিয়ে সেতুটি নির্মাণ করে। তবে ২০১৪ সালে সেতুর মাঝ বরাবর ভেঙে পড়ে একটি পণ্যবাহী ট্রলি খালে পড়ে যায়। এরপর দীর্ঘ ১২ বছর পার হলেও সেতুটি সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এ সেতুর ওপর নির্ভরশীল সোনাখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গেরাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাহবুব আলম মোল্লা মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থী প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে।

সোনাখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী যুথি বলে, প্রতিদিন ভয়ে ভয়ে সেতু পার হই। কখন যে ভেঙে পড়ে, সেই আশঙ্কা সবসময় থাকে। একই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র হাসিব জানায়, বিকল্প রাস্তা না থাকায় বাধ্য হয়েই এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ব্যবহার করতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. হানিফ হাওলাদার বলেন, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে কয়েক হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। দ্রুত সংস্কার করা জরুরি।

আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রিপন বলেন, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পরপরই উপজেলা প্রকৌশল বিভাগকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা নিজেরাই কাঠের পাটাতন বসিয়েছে।

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস বলেন, সেতুটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সংস্কার সম্ভব হয়নি। সেখানে একটি নতুন গার্ডার সেতু নির্মাণের প্রস্তাব ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com