সংবাদ শিরোনাম:
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ ভূরুঙ্গামারীতে ২৩ লাখ টাকার পণ্য ধ্বংস তিলাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আরিফুল ইসলামের প্রার্থিতা ঘোষণা, এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুদ, দুই ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা দেবীগঞ্জ পৌর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল ৪ দোকান ভূরুঙ্গামারীতে মাদক ও বাল্যবিবাহ বিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ভূরুঙ্গামারীতে সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ,প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শান্ত ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুদ, দুই ব্যবসায়ীকে ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা ভূরুঙ্গামারীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত পিএম ইন্টারন্যাশনালের নিবন্ধিত ৭৪১ শিশুকে বই-খাতা রাখার র‌্যাক ও চেয়ার উপহার
যৌন হয়রানির অভিযোগ:অডিও ক্লিপের সত্যতা খুঁজতে ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোর ৭ মাসেও মেলেনি রিপোর্ট

যৌন হয়রানির অভিযোগ:অডিও ক্লিপের সত্যতা খুঁজতে ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোর ৭ মাসেও মেলেনি রিপোর্ট

মাসফিকুল হাসান, বেরোবি প্রতিনিধিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তানজিউল ইসলাম জীবনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও মার্ক টেম্পারিং-এর অভিযোগ উঠে। সেই প্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। সেই তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে আরো অধিকতর তদন্তের জন্য সেই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপের সত্যতা খুঁজতে ক্লিপগুলো পাঠানো হচ্ছে ফরেনসিক ল্যাবে। এ বিষয়ে আরো একটি অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।কিন্তু অডিও ক্লিপের সত্যতা খুঁজতে ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোর ৭ মাসেও মেলেনি কোনো রিপোর্ট। সূত্র থেকে জানা যায় এখন পযন্ত কোনো অডিও রেকর্ড ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়নি।

জানা গেছে, এই শিক্ষকের সঙ্গে এক নারী শিক্ষার্থীর ফাঁস হওয়া কিছু অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি অডিও ক্লিপগুলো ফরেনসিক ল্যাবে পাঠিয়ে সেগুলোর সত্যতা যাচাই করবে। ১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ১১৫তম সিন্ডিকেট সভায় যৌন হয়রানির বিষয়ে অভিযুক্ত কল রেকর্ডটির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ফরেনসিক ল্যাবে পাঠাতে অনুমোদন দেওয়া হয় এবং একই সাথে একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়।

গঠিত তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান ও গণিত বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম। এর আগে অভিযোগের ভিত্তিতে এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। তবে সেই তদন্ত কমিটির রিপোর্টে মার্ক টেম্পারিং এর কোনো প্রমাণ মেলেনি বলে জানানো হয় এবং সেই কমিটি অডিও ক্লিপগুলোও বিশ্লেষণ করেনি। এ বছরের ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক এক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্টারের ইমেইলে একই বিভাগের শিক্ষক ড. তানজিউল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে তিনি শিক্ষক জীবনের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতন, ভয়ভীতি দেখানো, যৌন হয়রানি ও মার্ক টেম্পারিং করে ফলাফল খারাপ করিয়ে দেয়ার কথা উল্লেখ করেন। অভিযোগে বলা হয়, ওই শিক্ষার্থী দেশের বাইরে অবস্থান করায় সশরীরে হাজির হয়ে অভিযোগ জমা দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। তাই তিনি উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার দপ্তরে ইমেইল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছেন। এবং অনলাইনে যুক্ত থেকে সাক্ষাৎকার দিতে চেয়েছিলেন কিন্তু তার সেই সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়নি।জানা যায় অভিযুক্ত শিক্ষক আগে আওয়ামীপন্থী ছিল।শেখ হাসিনা কে নিয়ে জার্নাল প্রকাশও করেছিল। ওই সময়ে সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা নিয়েছিল। কিন্তু ৫ আগষ্টের পর পট পরিবর্তনে তিনি নিজেকে পরিবর্তন করে ফেলেন।নিজেকে বড় বিএনপিপন্থী শিক্ষক হিসেবে দাবী করেন।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, কাজ করতেছি তো , অনেক কাজ আগানো হয়েছে,সরাসরি এসে দেখা করো।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি

Design & Development BY : ThemeNeed.com