সীমান্ত, জবি প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মৌলিক একটি দাবি আবাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত দুই দশকেও তা দিতে সমক্ষ হয় নি বিশ্ববিদ্যালয়। নানা জটিলতা নিয়েই দেশের বড় বড় সেক্টর গুলোতে মেধার নজির স্থাপন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
আবাসন সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের জন্য শিক্ষার্থীরা বিশ্বাবিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পাইলট প্রকল্পের আওতায় আসার জন্য আন্দোলন করেছে, আবাসন না থাকায় শিক্ষার্থীদের আর্থিক সাহায্যের জন্য। তবুও নানা কারণে এই ভাতার প্রকল্পকে স্তম্ভিত করেছে কিছু মহল।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আতুর ঘর বলা হয়। ১৯৫২ এর ছাত্র আন্দোলন আর ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান দুই আন্দোলনের প্রারম্ভিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। নিজের আবাসন এর অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তারা যুমনা বাস ভবন এর সম্মুখে আন্দোলন করে নিজের মৌলিক দাবি আদায় করে। এরপর কেটে গেছে প্রায় একবছর।
এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়ে গেছে শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন। শিক্ষার্থীরা তাদের দাবিকে বাস্তবায়নের জন্য নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেছে, হয়েছে উপাচার্যেরও পরিবর্তন।
অবশেষে নানা জটিলতার অবসান ঘটিয়ে শিক্ষার্থীরাদের কাছ থেকে ২০২৫ এর অক্টোবর মাসে নেওয়া হয়েছে আবেদন। ২০২৬ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারিতে আবেদন থেকে বাছাই করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের। ২৩ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত বিয়ে বাড়ির আমেজে শেষ হয় শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা ও স্টুডেন্ট আইডিতে অ্যাকাউন্ট ও ব্রাঞ্চের রাউটিং নাম্বার আপডেট এর কাজ। বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দিতে অংশ দেশ দেশের কিছু ব্যাংক যেমন সিটি ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, আইএফসি ব্যাংক ইত্যাদি।
তবে কিছু শিক্ষার্থী এই আমেজকে ভয় পাচ্ছে। এত সমারোহে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে ঠিকিই , আবাসনের সম্পূরক বৃত্তি আদৌ পাবো কি?? তবে কিছু শিক্ষার্থী বলছে এত সংগ্রাম আর জটিলতার শেষ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন নিয়েছে, আমাদের আবাসনের এই বৃত্তি, আমরা পাবে বলে আশা করছে।
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Leave a Reply